মাহমুদুল ফারুক: পুরনো গাড়ি সংগ্রহ করাই যার শখ আর নেশা!
ছোটবেলায় আমরা কমবেশি সবাই My Hobby শিরোনামের একটা প্যারাগ্রাফ বা রচনা পড়েছি। সেখানে একেকজন একেক রকম শখের কথা লিখতো। কারো
ছোটবেলায় আমরা কমবেশি সবাই My Hobby শিরোনামের একটা প্যারাগ্রাফ বা রচনা পড়েছি। সেখানে একেকজন একেক রকম শখের কথা লিখতো। কারো
প্রতিদিন রাস্তাঘাটে বের হয়ে, গাড়িতে চড়ে যাতায়াত করার পরেও যে জীবন নিয়ে আবার বাড়ি ফিরে আসতে পারছেন তার জন্য আপনি
বেশিরভাগ মানুষের ক্ষেত্রে, জীবনে প্রথমবারের মতো কিছু করাকে একটি সাফল্য এবং অর্জন বলেই বিবেচিত হয়ে থাকে। যেমন বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম
আপনার গাড়ি আছে, কিন্তু গাড়ি নিয়ে চিন্তিত? মাঝে মাঝে মনেহয়, বাড়ির মতো গাড়িতেও একজন প্রহরী থাকলে ভাল হতো? যে কিনা
বর্তমানে যেসব গাড়ির গতি ঘন্টায় ২০০ মাইল প্রতি ঘন্টায়, সেসব গাড়িই দ্রুতগতির গাড়ি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকে। পৃথিবীর বুকে এখন
আপনার গাড়ির যেই অংশটি সবচাইতে বেশি এবং সবচাইতে দ্রুত অপরিষ্কার হয়ে যায় তা হলো গাড়ির কার্পেট। আর ঝড় বৃষ্টির দিনে
আপনার গাড়ির এসি থেকে ঠাণ্ডা বাতাস বের হচ্ছে না? তাহলে সম্ভবত আপনার গাড়ির এসি রিচার্জ করার সময় হয়েছে। কিন্তু কোন
দুর্ভাগ্যবশত কখনো কখনো আঘাতে বা দুর্ঘটনার কারণে গাড়ির সামনের গ্লাস ফেটে যেতে পারে অথবা চির দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে নতুন
গাড়ি কেনার কয়েক বছর পর শখের গাড়িটি দেখতে মলিন হয়ে যায়। তাই হয়ত ভাবছেন আপনার শখের গাড়িটি রঙ করাতে হবে।
প্রথমেই একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস নিয়ে নিন এই ভেবে যে, এই আধুনিক সময়ে আপনাকে 1948 এমজি টিসি রোডস্টার বা 1984 সালে
যতই দিন যাচ্ছে প্রযুক্তিগত দিক দিয়ে উন্নত হচ্ছে আমাদের জীবন। আর এই প্রযুক্তির ছোঁয়া লেগেছে আমাদের জীবনের প্রতিটি আনাচে কানাচে।
গাড়ি চালাতে সবার আগে দরকার জ্বালানি। জ্বালানি বা ফুয়েল ছাড়া গাড়ি চালানো অসম্ভব। কিন্তু এই জ্বালানিই আবার খরচের একটা বড়